রোববার বিকেলে সৈকতে গিয়ে দেয়া যায়, কিছু দর্শনার্থী সমুদ্রপাড়ে অবস্থান করে ঢেউ উপভোগ করছেন। এদের বেশিভাগই স্থানীয়, জেলা ও চট্টগ্রামের আশপাশের এলাকার বাসিন্দা। শনিবারও একই পরিমাণ লোকজন এখানে এসেছিলেন বলে দাবি করেছেন সৈকত এলাকার ব্যবসায়ীরা।
এর আগে, শনিবার (১০ আগস্ট) জেলার ছয় থানা ভবন পরিদর্শন করেন রামুর সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান, পুলিশ সুপার মো. মাহাফুজুল ইসলাম, সদর থানার ওসি রাকিবুজ্জামান পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
.png)
সদর থানার ওসি রাকিবুজ্জামান জানান, সব থানার কার্যক্রম সীমিত পরিসরে শুরু হয়েছে। তবে পুলিশের পুরোপুরি সেবা সচল করতে কিছু সময় লাগবে।
মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন জানান, থানায় কিছু আসবারপত্র, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম লুট হয়েছে। সেনাবাহিনীর পক্ষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তা উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কয়েক দিনের মধ্যেই কক্সবাজারের সব থানার কার্যক্রমে গতি ফিরে আসবে।
তিনি আরো জানান, কক্সবাজারের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। উন্মুক্ত রয়েছে পর্যটন কেন্দ্রগুলো। আগত পর্যটকরা অতীতের মতো নিরাপদে সমুদ্র ও প্রকৃতি উপভোগ করতে পারবেন।