শিক্ষার্থী সানাউল হাওলাদার জানান, দুপুরে মরিচের গুঁড়া তৈরির কারখানায় গেলে সেখানে পচা মরিচ, আটা ও টেক্সটাইলে ব্যবহৃত রং মিশ্রিত গুঁড়া মরিচ দেখতে পাওয়া যায়। এ সময় কৌশলে ওই কারখানার কর্মচারীরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করে সেগুলো জব্দ করা হয়। একইদিন বন্দরের একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ভেজাল চাল আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা।
অভিযানকালে গৌরনদী ব্ল্যাড ডোনার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা কাজী সুজন, শিক্ষার্থী রাতুল হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
.png)
কাজী সুজন বলেন, দীর্ঘদিন থেকে এই অসাধু ব্যবসায়ীরা ভেজাল খাদ্য সামগ্রী বাজারে বিক্রি করে আসছিলেন। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় এতদিন কেউ তাদের বাধা প্রদান করেননি। কিন্ত ছাত্রসমাজ আজ সারাদেশে জাগ্রত। তাই অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা আজ মাঠে নেমেছে।