শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পৌনে ৮টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড় ভাই সাইফুল ইসলাম জানান, তার ভাই প্রায় ৪ বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। এখন সুস্থ হয়ে ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। শনিবার দুপুরে বাড়ির পাশে রাস্তা দিয়ে চৌগাছা শহরের দিকে যাওয়ার সময় একটি দোকানে বসে থাকা গ্রামের ভ্যানচালক হারুনের ছেলে আশরাফ তাকে পাগল বলে ঠাট্টা করেন। এতে আলী হোসেন ক্ষুব্ধ হয়ে ভ্যান থেকে নেমে তার সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়ান।
.png)
আলী হোসেন আশরাফকে বলেন, ‘আমি কি পাগল? তুই সব সময় আমাকে টিটকারি মারিস?’ এই বলে আশরাফকে একটি থাপ্পড়ও মারেন। পরে নিহতের বড়ভাই সাইফুল ও আশরাফের বাবা হারুনসহ স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।
এরপর ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে হুদা চৌগাছা জামে মসজিদের সামনের রাস্তায় আশরাফ, তার ছোটভাই রেজা ও তাদের ভগ্নিপতি মালেক চাকু দিয়ে আলী হোসেনের বুকের বাম পাশে ও কপালে আঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. খন্দকার জুলকার ইসলাম বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। নিহতের বুকের বাম পাশে ধারালো অস্ত্রের একটি গভীর ক্ষত ও কপালে একটি ধারালো অস্ত্রের ক্ষত রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জন্য তার মৃত্য হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।
চৌগাছা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, হাসপাতালে লাশের সুরতহাল সম্পন্ন হয়েছে। আসামি ধরার জন্য পুলিশ অভিযানে রয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।