বুধবার (১৭ জুলাই) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়।
এর আগে, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পৃথক অভিযান চালিয়ে সোনাইমুড়ী ও চাঁদপুর থেকে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। নিহত মো. জসিম উদ্দিন উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের সাতঘরিয়া গ্রামের সর্দার বাড়ির মনু মিয়ার ছেলে।
.png)
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের বারাহীনগর গ্রামের পাইকের বাড়ির মৃত মোস্তফা সর্দারের ছেলে মো. লোকমান (৫৫) ও একই ইউনিয়নের সাতঘরিয়া গ্রামের সর্দার বাড়ির শেখ আব্দুল আজিজের ছেলে আশরাফুল ইসলাম রাব্বি ওরফে শেখ রাব্বি (২৪।
পুলিশ আসামি রাব্বির বরাত দিয়ে জানায়, দেড় মাস আগে আসামি সায়মনের একটি ইয়ামাহা আর ওয়ান ফাইভ মোটরসাইকেল ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ভিকটিম জসিম উদ্দিন নিয়ে যায়। পরবর্তীতে এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে জসিম সায়মনের মোটরসাইকেল ও মোবাইল দিয়ে দেওয়ার শর্তে ৩০ হাজার টাকা নেয়। টাকা নেয়ার পরেও মোটরসাইকেল ও মোবাইল না দিলে সায়মন গোপনে জসিমকে হত্যার পরিকল্পনা করে। রাব্বি ২০ হাজার টাকার প্রলোভনে সায়মনের বড় ভাই দুলালের কথা মতো সায়মনকে ভিকটিম জসিম উদ্দিনের বাড়িতে আসার খবর জানায়।
সোনাইমুড়ী থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন বলেন, মামলা দায়েরের ১২ ঘণ্টার মধ্যে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যা মামলার এজাহারামীয় ২ আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন আসামিরা।