ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বাজারে তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি করেছেন। তা-না হলে গত বছরের মতো দাম গিয়ে ঠেকবে ৭০০ টাকায়। তাদের দাবি ভারতের অভ্যন্তরে বিভিন্ন প্রদেশে বন্যা দেখা দিয়েছে। ফলে ক্ষেতে পানি জমে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় রফতানি মূল্য বাড়িয়েছে দেশটির রফতানিকারকরা।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক সেলিম হোসেন জানান, অতি বৃষ্টি আর বন্যার কারণে দেশে কাঁচা মরিচের উৎপাদন নেই বললেই চলে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররা বন্দরে ভিড় জমাচ্ছেন। চাহিদার তুলনায় আমদানি কম হওয়ায় অনেক পাইকার ফেরত যায়। তাই আমদানির পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছেন।
.png)
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের মতো ভারত অভ্যন্তরের বিভিন্ন প্রদেশের বন্যা দেখা দেওয়ায় সেখানে উৎপাদন ব্যাহত হয়ে সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে সে দেশের রফতানিকারকরা রফতানি মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে।
হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক প্রতাব জানান, আগে প্রতিদিন ১০-১২ গাড়ি করে কাঁচা মরিচ আমদানি হলেও রোববার ২২টি ভারতীয় ট্রাকে ২১৬ মেট্রিকটন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে। যা থেকে সরকার রাজস্ব পেয়েছে অন্তত ৭৫ লাখ টাকা।
এদিকে হিলি স্থলবন্দর এলাকার কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ২১০-২২০ টাকায়।