ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

স্কুল মাঠে হাঁটু পানি, শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ

আলমগীর হোসেন, বগুড়া
প্রকাশিত: ১২:২০, ৫ জুলাই ২০২৪
স্কুল মাঠে হাঁটু পানি, শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ
স্কুল মাঠে হাঁটু পানি, শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

দেখে যেন মনে হবে এটা কোনো বড় বিল বা পুকুর। বর্ষাকালে একটু বৃষ্টি হলেও এ দৃশ্য চোখে পড়ে। এটি হলো, বগুড়া জেলার কাহালু কাজীপাড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের দৃশ্য। প্রতিদিনই বৃষ্টি হলে স্কুল মাঠে পানি জমে হাঁটুপানি হয়ে যায়।

টানা প্রবল বর্ষণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় কাহালু কাজীপাড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা এখন হাঁটু পানিতে ক্লাস করছে। এতে চরম কষ্টে প্রতিদিনই ক্লাস করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। তবে, ক্লাস রুমে পানি প্রবেশ করেনি।

গত ১ জুলাই রাত থেকে বৃষ্টি হওয়ায় উপজেলা বীরকেদার ইউনিয়নে অবস্থিত কাজীপাড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ হাঁটু পানিতে তলিয়ে গেছে। প্রবল বর্ষণের চারদিন অতিবাহিত হলেও স্কুলের খেলার মাঠ থেকে পানি এখনো না নামায় শিক্ষার্থীদের চরম দুভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্কুলের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা হাঁটু পানিতেই যাতায়াত করছে। এতে শিক্ষার্থীদের জামা কাপড় ভিজে যাচ্ছে। ভেজা কাপড় পরে শিক্ষার্থীরা ক্লাস করছে।

Advertisement

যত্রতত্র পুকুর খনন, মাটি ভরাট, বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ, ব্রিজ, কালভার্ট ময়লা আবর্জনায় অকেজো হয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হওয়ায় এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান।  

এই জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন তারা। পাশেই অবস্থিত কাজীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষাথীদের একই অবস্থা।

স্কুলের শিক্ষার্থীরা জানায়, মাঠটি নিচু এলাকায় হওয়ায় সামান্য বৃষ্টি হলে আশপাশ থেকে পানি এসে জমে যায়। তখন হাঁটুপানিতে স্কুলের রুমে প্রবেশ করতে খুবই সমস্যা হয়। বর্ষাকালে প্রায় প্রতিদিনই এমন দৃশ্য দেখা যায়। জমে যাওয়া পানি সরে যেতে ২-৩ দিন সময় লাগে। এ সময়ের মধ্যে বৃষ্টি হলে আরো পানি জমে যায়।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. মতিউর রহমান জানান, স্কুলের মাঠটি তুলনামূলক নিচু। সেজন্য বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় স্কুলের মাঠে পানি জমেছে। বৃষ্টি না হলে আগামী ২ থেকে ৩ দিনে মাঠ থেকে পানি নেমে যাবে।

স্কুলের ম্যানেজিং এডহক কমিটির সভাপতি সাহেবুল্লাহ জানান, স্কুল মাঠ নিচু হওয়ার কারণে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এরমধ্যে শিক্ষার্থীরা ক্লাস করছে। এতে শিক্ষার্থীদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। যদি বৃষ্টি আর না হয় তাহলে ২-৩ দিনের মধ্যে পানি শুকিয়ে যাবে। বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাটের কাজ করা খুবই প্রয়োজন। কিন্তু আর্থিক অভাবে মাটি ভরাটের কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ:  বগুড়া
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!