দুই গোষ্ঠীর তুমুল সংঘর্ষে একজন নিহতের ঘটনায় ৬৯ জন কারাগারে
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার ৬৯ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার দুপুরে আসামিরা কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কিশোর কুমার দত্তের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে শুনানি শেষে বিচারক তাদের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কোর্ট ইন্সপেক্টর শামসুল আলম সিদ্দিকী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ১৬ জুন আধিপত্য বিস্তারের জেরে ভৈরব উপজেলার মৌটুপি গ্রামের কর্তা বাড়ি ও সরকার বাড়ির লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে কর্তা বাড়ির নাদিম কর্তা নামে একজন আহত হন। পরে নাদিম কর্তাকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার অবস্থা গুরুতর দেখে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯ জুন নাদিমের মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর খবরে ওই দিন বিকেলে আবারো দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে উভয় পক্ষের ১২ জন আহত হন। এ সময় শতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।
এ ঘটনায় গত ২৪ জুন নিহত নাদিম কর্তার ভাই বাকী কর্তা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সাফায়েত উল্লাসহ ৮৩ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয় আরো ১০-১৫ জনকে।
মামলার বাদী বাকী কর্তা বলেন, ‘সরকার বাড়ির চেয়ারম্যানের নির্দেশে আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। ৫৪ বছর যাবৎ তারা আমাদের উপর অত্যাচার নির্যাতন করে যাচ্ছে। তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো আপস হবে না।’