নিহত শহিদুল সিরাজগঞ্জ জেলার বাজনদারগাতী গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে মানিকগঞ্জের গঙ্গাধরপট্টি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। তিনি দীর্ঘদিন মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারে কর্মরত ছিলেন। বছর দেড়েক আগে কাশিমপুর কারাগারে যোগ দেন। তবে স্ত্রী ও তার ২ মেয়ে মানিকগঞ্জের ভাড়া বাসায় থাকতেন।
নিহতের মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহিয়া মালিহা জানান, তার বাবার সঙ্গে কারো শত্রুতা ছিল না। ঈদের ছুটি কাটাতে রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তারা বাবা গাজীপুর থেকে মানিকগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন। রাত ১১টার দিকে মোবাইলে তার সঙ্গে শেষ কথা হয়। এ সময় তার বাবা জানান, তিনি বাসে করে মানিকগঞ্জে আসছেন। রাত ১২টার পর থেকে শহিদুলের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।
.png)
তিনি আরো জানান, রাতে তার বাবা বাড়ি না ফেরায় সোমবার সকালে মানিকগঞ্জ সদর থানায় বিষয়টি জানানো হয়। এ সময় পুলিশ জানায়, জাগীর সেতুর নিচে একটি লাশ পাওয়া গেছে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার বাবার লাশ শনাক্ত করেন তিনি।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি হাবিল হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ছিনতাইকারীদের কবলে পড়তে পারেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।