ঈদুল আজহার আর মাত্র দুইদিন বাকি। গরু বিক্রেতাদের যেন দম ফেলানোর সময় নেই। সবাই ব্যস্ত তাদের খামার বা গৃহের গরুগুলোক বিভিন্ন নামে বাজারে প্রদর্শনের জন্য। ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে খামারিরা তাদের সেরা গরু গুলোকে বিভিন্ন নাম রাখছেন। খান বাহাদুর, রাজাবাবু, জায়েদ খান, কাজল বাবু, বসসহ বিভিন্ন নায়কের নাম রাখছেন। ঠিক তেমনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভাদুঘর বাস টার্মিনালের গরুর বাজার কাঁপাচ্ছে নেত্রকোণা থেকে আসা ১২০০ কেজি ওজনের ‘লালু মস্তান’।
গরুটি ওজনের দিক দিয়ে বেশি ও আকৃতির দিক দিয়ে বেশ বড়। যার কারণে বাজারে আসা সাধারণ মানুষের মাঝে আগ্রহ বেড়েছে গরুটিকে ঘিরে।
.png)
শনিবার (১৫ জুন) সকাল থেকে ষাঁড়টিকে দেখতে ক্রেতা সাধারণের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। রোকন মিয়া নামে এক ব্যক্তি নেত্রকোণার কেন্দুয়ার বাঁশহাটি গ্রাম থেকে ওই ষাঁড়টিকে এনেছেন।
ষাঁড়টির মালিক রোকন মিয়া জানান, দুই বছর আগে স্থানীয় এক কৃষকের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা দিয়ে ওই ষাঁড়টি কেনেন তিনি। এরপর খামারে লালন-পালন করেছেন। তিনি গরুটিকে খৈল, ভুসি, কাঁচা ঘাস, ভুট্টা, ছোলাসহ প্রাকৃতিক খাবার খাইয়েছেন। বর্তমানে এর দাম হাঁকাচ্ছেন ১৫ লাখ টাকা। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাজারে ষাঁড়টির দাম সাড়ে ৯ লাখ টাকা উঠেছে বলে তিনি দাবি করেছেন। তার আশা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাজারে তিনি ভালো দাম পাবেন।
হাটের ব্যবস্থা সম্পর্কে পৌরসভার নির্বাহী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল কুদ্দূস জানান, ক্রেতারা যেন নির্বিঘ্নে তাদের পছন্দের কোরবানি পশু ক্রয় করতে পারেন; এর সব ব্যবস্থাই গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত এই হাট চলবে।
এদিকে, ওই পশুর হাটে গরু অসুস্থ হয়ে গেলে ভেটেনারি সার্জনের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকে জাল নোট শনাক্তকরণের জন্য আলাদা বুথও রয়েছে।