বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে এ আদেশ দেন পাবনার বিশেষ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আহসান তারেক।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সিরাজগঞ্জের চৌহালী থানার মিনিদিয়ার চর এলাকার নুরাল মেম্বারের ছেল আজিম উদ্দিন (৩৫), চৌহালীর বাউসা এলাকার ওহাব মোল্লার ছেলে শহিদুল ইসলাম (২৮) এবং একই এলাকার মৃত মছলত সরদারের ছেলে ছাবেদ আলী (৩০)। রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন অভিযুক্তরা। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
.png)
নিহত আব্দুল গাফফার মাছুম সুজানগর উপজেলার দুলাই ডা. জহরুল কামাল কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৯ আগস্ট কলেজে ক্লাস চলাকালে মোটরসাইকেল কেনাবেচার কথা বলে কৌশলে তাকে অপহরণ করেন চাচাতো দুলাভাই আজিম। পরদিন মাছুমের স্বজনরা তার ফোনে কল করলে অজ্ঞাত পরিচয়ে জানানো হয় মাছুমকে অপহরণ করা হয়েছে। মুক্তিপণ হিসেবে ২০ লাখ টাকা দাবি করেন তারা।
পরে দুলাভাই আজিমকে সন্দেহভাজন হিসেবে তার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করা হয়। মামলার পর আজিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে মাছুমকে অপহরণের পর মুক্তিপণ না পেয়ে হত্যা করে মরদেহ যমুনা নদীতে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন আজিম। ঘটনাটি তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর আজিমসহ আরো তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় পুলিশ। পরে রমজান নামে এক আসামির মৃত্যুর পরে তিনজনের বিচার শেষে আজ রায় ঘোষণা করেন বিচারক।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন সরকারি অ্যাডভোকেট দেওয়ান মজনুল হক এবং আসামিপক্ষের শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম সুমন এবং কামাল আহমেদ। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট হলে অসন্তুষ্ট প্রকাশ করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী।
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।