সোমবার দুপুরে জেলা শহরের খৈয়াসার এলাকায় মের্সাস সাইফুল ফুড প্রোডাক্ট নামক প্রতিষ্টানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জেলা শহরের খৈয়াসার এলাকায় দুটি কারখানায় বিএসটিআই’র সীল নকল করে বিষাক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার করে লিচু জুস, ড্রিংকো জুস, চানাচুর, মটর বিহীন ডাল, চিপস ও বরো ড্রিংকসহ বিভিন্ন প্রকার শিশু খাদ্য তৈরি করে আসছিলেন কারখানার মালিক মো. হোসাইন।
.png)
সোমবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কারখানা দুটিতে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসনের নির্বিহী ম্যাজিষ্ট্র্যাট মো. তৌহিদুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন ট্রাস্কফোর্স সদস্যরা। অভিযানে কারখানায় গিয়ে দেখেন বিষাক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার করে শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নকল খাদ্য সামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে। পরে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন না থাকা, কারখানা পরিচালনার কোন ধরনের বৈধতা না থাকায় মো. হোসাইনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অভিযানের নেতৃত্বে থাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্র্যাট মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, পরিমাণ মানদণ্ড আইন ২০১৮-এর ২৪(১) এর ৪১ ধারা ভঙ্গ করার কারণে কারখানার মালিক মো. হোসাইনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ও ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বিএসটিআই কুমিল্লা জেলা অফিসের ইন্সপেক্টর (মেট্রোলজি) মো. লুৎফুর রহমান জানান, তারা বিএসটিআই'য়ের মোড়ক নকল করে খাদ্য সামগ্রী তৈরি করে আসছিলেন। শিশু খাদ্যগুলো বিষাক্ত ক্যামিকেল ব্যবহার ও নোংরা পরিবেশে তৈরি, স্বাস্থ্যের জন্যে মারাত্নক ঝুঁকিপূর্ণ। তাই তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অবৈধ নকল কারখানার বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।