নিহত সোহাগ মিয়া ঐ এলাকার সালাম মিয়া ছেলে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নবীনগর থানার এসআই আশরাফুল আলম।
তিনি বলেন, নিহত সোহাগ মিয়া সৌদি প্রবাসী ছিলেন। তিনি কিছু দিন আগে দেশে আসেন। তাদের বাড়িতে মহিষ লালন-পালন করা হতো। সকালে তাদের বাড়ির পাশে চরের মধ্যে মহিষগুলোকে ঘাষ খাওয়াতে নিয়ে যান সোহাগ। সেসময় প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই সোহাগ মারা যান।
.png)
এসআই আরো বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই তার লাশ দাফন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।