বুধবার রাতে উপজেলার রতাল, বান্ধল, মধুর নাগরা ও চৌরখুলী গ্রামের ১১টি বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে। চুরির এক পর্যায়ে ধাওয়া খেয়ে এক বাড়িতে মোবাইল, লাইট ও মানিব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায় চোর চক্র।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রতাল গ্রামের ফায়েক মোল্লা, তৈয়াবুর রহমান, মুজিবুর মোল্লা, চৌরখুলী গ্রামের রুবেল মোল্লা, শহিদ খন্দকার, মন্টু খান, বান্ধল গ্রামের মিজানুর রহমান ও তার ভাড়াটিয়া সজলের ঘরে সিঁধ কেটে, মধুর নাগরা গ্রামের শাহিনুর খানের ঘরের জানালার গ্রিল ভেঙে, হামেদ বিশ্বাস ও মশিউর খানের বাড়িতে দরজার তালা ভেঙে বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটায় অজ্ঞাত চোর চক্র।
.png)
চৌরখুলি গ্রামের রুবেল মোল্লার মা রেহেনা বেগম জানান, ড্রয়ার ভেঙে ছেলের মাছ কেনার জন্য রাখা ৭৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার সময় ঘরে চোর ঢুকেছে বুঝতে পেরে আমি চিৎকার দিলে তারা দ্রুত দরজা খুলে দৌড় দেয়। ছেলেরা তাৎক্ষণিক চোরের পিছু নিলে হাতে থাকা মোবাইল, মানিব্যাগ ও টর্চলাইট রেখে পালিয়ে যায়।
রতাল গ্রামের তৈয়াবুর রহমানের স্ত্রী আসমা বেগম জানান, সকালে প্রতিবেশীরা ঘরে সিঁধ কাটা দেখে চিৎকার দিলে এ ঘটনা দেখতে পান। চোরেরা শোকেজ ভেঙে নগদ ১০ হাজার টাকা ও ছেলের একটি মোবাইল নিয়ে গেছে।
বান্ধল গ্রামের মিজানুর সিকদার জানান, চোরেরা তার ঘর থেকে নগদ ৫ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল এবং তার ভাড়াটিয়া সজলের ঘর থেকে ১০ হাজার টাকা, দুটি মোবাইল ও একটি শাড়ি নিয়ে গেছে। ভাড়াটিয়া সজলের স্ত্রী খুব ভোরে রান্নার করতে গেলে সিঁধ কাটা দেখে চিৎকার করেন। এরপর দেখা যায় এই দুই ঘরের সিঁধ কাটা।
মধুর নাগরা গ্রামের রাসেল খান জানান, তার প্রতিবেশী শাহিনুর খানের গ্রিল কেটে ১টি স্বর্ণের চেইন ও ১টি কানের দুল নিয়ে গেছে চোরেরা। এছাড়া হামেদ শিকদার ও মশিউর খানের বাড়িতে কেউ না থাকায় ঘরের তালা ভেঙে চুরি হয়। তবে বাড়িতে কেউ না থাকায় কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা জানা যায়নি।
কোটালীপাড়া থানার ওসি ফিরোজ আলম জানান, চৌরখুলি গ্রামের চুরির ঘটনাসমূহ জেনেছি। বাকিগুলোর খবর জানা নেই। তবে দ্রুত খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।