নিহত শিউলি আক্তার উপজেলা সদরের পশ্চিমপাড়ার দুবাইপ্রবাসী আব্দুর রহমানের স্ত্রী।
পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় ১৮ বছর আগে উপজেলা সদরের আব্দুর রহমানের সঙ্গে বিয়ে হয় শিউলির। বিয়ের কিছুদিন পর প্রবাসে চলে যান তার স্বামী। ঘটনার আগের দিন (বৃহস্পতিবার) তার একমাত্র মেয়ে চাঁদনী উপজেলার পূর্বভাগ ইউনিয়নের পূর্বভাগ গ্রামে মামার বাড়ি চলে যান। শুক্রবার সকালে চাঁদনী স্বজনদের মাধ্যমে জানতে পারেন, তার মায়ের লাশ ঘরের মেঝেতে পড়ে আছে।
.png)
চাঁদনীর অভিযোগ, তার মাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে, সে বিষয়ে তিনি কিছুই বলতে পারছেন না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তিনি।
শিউলির ভাই লোকমান মিয়া বলেন, ঘটনার আগের রাতে আমার বোন ঘরে একা ছিলেন। তার শরীরে রক্তের দাগ আছে। নাক-মুখ দিয়েও রক্ত বের হচ্ছে। যে বিছানায় ঘুমিয়ে ছিলেন, সেই বিছানা ও বালিশেও রক্তের দাগ লেগে আছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আজদু মিয়া বলেন, ঘরের কোনো মালপত্র, টাকাপয়সা ও স্বর্ণালঙ্কার খোয়া যায়নি। প্রকৃত ঘটনা কী, তা পুলিশের তদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয়।
নাসিরনগর থানার ওসি মো. সোহাগ রানা বলেন, এটি হত্যা নাকি অন্য কিছু, ময়নাতদন্ত করার পরই বলা যাবে।