অবহাওয়া অফিস সূত্র বলছে, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে দক্ষিণ উপকূলীয় কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর কিছুটা উত্তাল হয়ে উঠেছে।
এছাড়া স্বাভাবিকের চেয়ে সমুদ্র এবং নদ-নদীর পানিও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিন বিকেল পর্যন্ত এর কোনো প্রভাব উপকূলীয় এলাকায় লক্ষ্য যায়নি। তবে প্রচণ্ড গা ঝলসানো রোদ আর প্রচণ্ড দাবদাহে দিশেহরা হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
.png)
আবহাওয়া অফিসের বরাত দিয়ে কলাপাড়া উপজেলা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির সহকারী পরিচালক মো. অসাদুজ্জামান বলেন, উপকূলীয় এলাকা দিয়ে যে কোনো সময় দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পায়রাসহ দেশের সব সমুদ্রবন্দর সমূহকে ০১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া সব মাছ ধরা ট্রলার সমূহকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
তিনি বলেন, সকালে নিম্নচাপটি পায়রা থেকে ৭৯০ কিলোমিটার দূওে অবস্থা করলেও তা বর্তমানে আরো কাছাকাছি অবস্থান করছে। সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ পরবর্তী অবস্থান জানানো যাবে।
তবে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপুসাহা বলেন, সম্প্রতি সময়ে সমুদ্রে মৎস্য শিকারে ৬৫ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলছে। তাই দক্ষিণ উপকূলীয় জেলেদের নিয়ে চিন্তার তেমন কোনো বিষয় নেই। কারণ এরইমধ্যে অবরোধ পালনে আমাদের সিংহভাগ জেলেরা তাদের ট্রলারসমূহ নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করছে। সেইসঙ্গে বলা যায় যে বৈরী আবহাওয়া কিংবা আবাহাওয়া অফিস থেকে যে বার্তা দেওয়া হচ্ছে সে বিষয়ে জেলেরা অবগত আছেন।