গ্রেফতারকৃত সিরাজ সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চরভূতা গ্রামের রবু মিয়ার ছেলে।
বাকিরা হলেন, এরশাদ (১৯), রিপন (২৩), জাকির (২১) রিমন (২৬), রাকিব (১৯), ইব্রাহিম (২৪) ও সাহেরা বেগম (৪০)। এরমধ্যে রিপন, রাকিব, জাকির ও রিমন প্রধান আসামি সিরাজের ছেলে। এরশাদ ও ইব্রাহিম একই এলাকার মিজানের ছেলে। অপর আসামি সাহেরা মিজানের স্ত্রী।
.png)
বৃহস্পতিবার বিকেলে র্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) গোলাম মোর্শেদ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাড়ির পুকুর থেকে ড্রেজারে বালু উত্তোলন ও পানি সেচকে কেন্দ্র করে জোসনাদের সঙ্গে সিরাজদের ঝগড়া হয়। এর জেরে ১২ এপ্রিল মধ্যরাতে ঘরে ঢুকে হামলা চালিয়ে জোসনা ও তার স্বামী আলাউদ্দিনকে কুপিয়ে আহত করেন আসামিরা। পরে আহত অবস্থায় দুইজনকে আশপাশের লোকজন সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে জোসনাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আহত অবস্থায় আলাউদ্দিন সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) নিহত জোসনার বাবা ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
র্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) গোলাম মোর্শেদ বলেন, মামলার পর থেকে র্যাব তদন্ত শুরু করে। র্যাব-১১ এবং র্যাব-৭ এর যৌথ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং লক্ষ্মীপুর জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় একাধিক অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মামলার ছয়জন এজাহার নামীয় ও এক অজ্ঞাত আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তাদের লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।