এদিকে সজিবের স্ত্রীও অনেকটাই বাকরুদ্ধ। শুকিয়ে গেছে চোখের পানি। আড়াই বছরের শিশু বাচ্চাকে নিয়ে পাগল প্রায়। এর আগে গত মঙ্গলবার ঢাকায় একপি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থা মারা যান সজিব।
কান্না কণ্ঠে দুপুরে নিহত সজিবের মা বুলি বেগম বলেন, ‘আমার ছেলেকে কাজী বাবলু হত্যা করেছে। আমরা তার উপযুক্ত বিচার কামনা করছি।’
.png)
এদিকে ছাত্রলীগ নেতা এম সজীব হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে চন্দ্রগঞ্জ বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে। এ সময় বক্তারা সজিব হত্যায় জড়িত সবাইকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক বলেন, ছাত্রলীগ নেতা এম সজিবের ঘটনায় এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি তাজল ইসলামসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদেরও গ্রেফতারে আমাদের অভিযান চলছে।
শুক্রবার রাতে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পাঁচপাড়া গ্রামে যৈদের পুকুর পাড় এলাকায় দুর্বৃত্তদের অতর্কিত হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা সজীব, সাইফুল পাটওয়ারী, মো. রাফি ও সাইফুল ইসলাম জয় আহত হয়। মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) রাত ২ টার দিকে ঢাকার পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সজীব মারা যান।
এর আগে সোমবার (১৫ এপ্রিল) রাতে সজীবের মা বুলি বেগম বাদী হয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কাজী বাবলুকে প্রধান করে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। এতে আরো ২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার দ্বিতীয় আসামি চন্দ্রগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সচিব তাজুল ইসলাম তাজু ভূঁইয়াসহ ৪জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা জেলা কারাগারে রয়েছেন। নিহত সজীব চন্দ্রগঞ্জের পাঁচপাড়া এলাকার মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে ও চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন।