গত ৯ এপ্রিল রাতে নলডগি গ্রামের সর্দার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের পরিবারের দাবি মুন্নিকে হত্যা করে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন। শনিবার সকালে মুন্নি হত্যার বিচার দাবি করে সাংবাদিকদের এসব বলেন তারা।
নিহত মুন্নি নোয়াখালী সদর উপজেলার ২০ নম্বর আন্ডার চর ইউপির পশ্চিম মাইজচরা গ্রামের আবুল কালামের মেয়ে।
.png)
জানা যায়, গত দুই বছর আগে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কুশাখালী ইউপির নলডগি গ্রামের নাজাল হকের ছেলে মো. রিয়াজের সঙ্গে পারিবারিকভাবে তাসনুর আক্তার মুন্নির বিয়ে হয়। বর্তমানে তাদের ঘরে দেড় মাসের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
নিহত মুন্নির পরিবারের দাবি, বিয়ের পর থেকে মুন্নির স্বামী মো. রিয়াজ বিভিন্নভাবে যৌতুক দাবি করতেন। না পেয়ে মুন্নিকে শারীরিক নির্যাতন করেন। এছাড়া মৌসুমি ফলসহ বিভিন্ন জিনিস পত্রের জন্য চাপ প্রয়োগ করে শ্বশুর বাড়ির লোকজন। মুন্নির দেবর আলমগীর নানাভাবে কুপ্রস্তাব দিতেন মুন্নিকে। রাজি না হওয়ায় আলমগীর মানসিক নির্যাতনও করতেন তাকে। ঘটনার দিনও মুন্নিকে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছে।
এ বিষয়ে জানতে রিয়াজের বাড়িতে গেলে ঘর তালা বদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়। তার পরিবারের কাউকে পাওয়া যায় নি। স্থানীয়রা জানান ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জামাল হোসেন বলেন, রাতে রিয়াজ ও তার পরিবারের লোকজন আমার বাড়িতে এসে জানান, মুন্নি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। আমি তাৎক্ষণিক পুলিশে খবর দেই। এছাড়া মুন্নির পরিবারকেও বিষয়টি জানাই। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। এরপর থেকে রিয়াজ ও তার পরিবার পলাতক রয়েছেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মফিজ উদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এখনো আসেনি। রিপোর্ট পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।