এ ঘটনায় শোকে স্তব্ধ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার পৌরসভা এলাকার ছিলাধরচর বাস্তুখোলা গ্রামে নিহতদের স্বজনেরা।
নিহত হাসিবুল বাস্তুখোলা গ্রামের মো. ফারুক হোসেন মোল্লার একমাত্র সন্তান। তবে প্রায় এক যুগ আগে তারা ঢাকার ডেমরা সারুলিয়া নয়াপাড়া এলাকায় জমি কিনে বাড়ি তৈরি করে পরিবার নিয়ে সেখানেই থাকতেন। গত ২০ রোজায় মারা যান ওই পরিবারের গৃহকর্তা ফারুক হোসেন মোল্লা। একই পরিবারের সবার মৃত্যুতে তাদের স্বজনেরা শোকে স্তব্ধ।
.png)
নিহতের চাচা ফরহাদ হোসেন মোল্লা বলেন, ঈদের নামাজ পড়তে বন্ধুদের নিয়ে বাসা থেকে বের হয় হাসিবুল। এরপর হাসিবুল মোল্লা আর বাসায় ফেরেনি। তার ব্যবহৃত ফোন মোবাইলটি বন্ধ ছিল।
এ ঘটনায় ফরহাদ হোসেন মোল্লা বৃহস্পতিবার রাতে ডেমরা থানা একটা সাধারণ ডায়েরি করেন। হাসিবুল মোল্লাকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে বন্ধুরা হত্যা করেছে বলে স্বজনদের অভিযোগ। তারা এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
ভাঙ্গা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউল করিম জানান, ফারুক মোল্লা তার গ্রামের সন্তান ছিলেন। প্রায় ১৫ বছর আগে তারা সপরিবারে ঢাকার ডেমরায় চলে যায়। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে মা-বাবা ও সন্তানের মৃত্যুর ঘটনাটি আসলেই হৃদয়বিদারক।
আবুল কালাম মাতুব্বর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রথমে বাবার মৃত্যু এবং পরে স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।