সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাত ১২ পর্যন্ত এসব রোগী কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে তিনজনের শরীর থেকে মাংস কামড়ে নিয়ে গেছে পাগলা কুকুর।
আক্রান্তরা হলেন উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের বিলবালিয়া গ্রামের আরাফাত, নয়ন মিয়া, বড়সড়া গ্রামের আবদুল লতিফ ও খাগুড়িয়া গ্রামের সাদিক মিয়া।
.png)
জানা যায়, আরাফাত ও নয়ন বিলবালিয়া জামে মসজিদ থেকে নামাজ শেষ করে বের হয়। এ সময় মসজিদের মাঠে অবস্থান করা একটি পাগলা কুকুর দৌড়ে এসে আরাফাতকে কামড়ে দেয়। এ সময় বন্ধু নয়ন তাকে উদ্ধার করতে আসলে পাগলা কুকুরটি তাকেও কামড়ে দেয়।
অপরদিকে আবদুল লতিফ বাড়ির পাশে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে ছিলো। এ সময় একটি কুকুর দৌড়ে এসে তাকে এলোপাতাড়ি কামড়াতে থাকে। এছাড়া সাদিক মিয়া বাড়ি থেকে রাস্তায় বের হলে তাকেও কুকুরের কামড়ে ধরে। এদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি নিয়ে আসে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক নাঈম মিয়া বলেন, কুকুরে কামড় নিয়ে রাতে চারজন হাসপাতালে আসেন চিকিৎসা নিতে। তাদের মধ্যে তিনজন কিশোর একজন বৃদ্ধ। এদের মধ্যে তিনজনকে শরীর থেকে কামড় দিয়ে মাংস তুলে নিয়েছে কুকুর। প্রাথমিক চিকিৎসাসহ সবাইকে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন দিয়েছি।