বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে থানচি বাজার কমিটির সভাপতি ও থানচি উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান খামলাই ম্রো বলেন, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে থানচি বাজারের চারপাশে গুলিবর্ষণ করে সন্ত্রাসীরা। এক পর্যায়ে গুলি করতে করতে তারা থানচি থানার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ তাদের প্রতিহত করে।
থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন বলেন, রাত সাড়ে ৮টা থেকে থানচি বাজার ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় কেএনএফের সঙ্গে পুলিশ ও বিজিবির তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয়। মূলত দুই স্থানে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। থানচি থানা ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পেছনে। পুলিশ এবং বিজিবি দুই পক্ষের সঙ্গেই গোলাগুলি হয়েছে। রাত সাড়ে ৯টা থেকে গোলাগুলি বন্ধ আছে। পুরো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
.png)
তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাসীদের প্রায় ৫০ জনের একটি দল হামলায় অংশ নেয়। তারা থানা লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশ সন্ত্রাসীদের ঠেকাতে ৪০০-৫০০ রাউন্ড পাল্টা গুলি ছোড়ে। পরে বিজিবি ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। তবে তারা কয় রাউন্ড গুলি করেছে, তা জানা যায়নি। এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর নেই।
বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রায়হান কাজেমি জানান, সাড়ে ৮টার দিকে কেএনএফ সদস্যরা দ্বিতীয়বারের মতো ব্যাংক লুটের চেষ্টা চালায়। এ সময় পুলিশ বাঁধা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে বিজিবি এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিবেশ এখন শান্ত রয়েছে।
এর আগে, বুধবার দুপুরে থানচি বাজারে গুলি চালিয়ে সোনালী ব্যাংক ও কৃষি ব্যাংকে ডাকাতি করে কেএনএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।