জন্ম নেওয়া নবজাতকের মধ্যে চারটি মেয়ে সন্তান এবং তিনটি ছেলে সন্তান। বর্তমানে বাচ্চা এবং বাচ্চার মা সবাই সুস্থ আছেন।
বুধবার (২৭ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৮টার মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজার ছাড়াই সাত শিশু জন্মগ্রহণ করে।
.png)
এ কার্যক্রমে সংযুক্ত ছিলেন ডা.ফারজানা আফরিন ,সিনিয়র স্টাফ নার্স ইয়াসমিন, মায়া রানী মিডওয়াইফ রাফিন, নার্সিং ইনচার্জ আফসার উদ্দিন, নার্সিং সুপারভাইজার সুষমা সরকার।
সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুর উদ্দিন রাশেদ জানান, মাতৃমৃত্যুর হার কমাতে এবং নরমাল ডেলিভারি নিরাপদ করতে এই হাসপাতালে দক্ষ মিডওয়াইফরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ফলে নরমাল ডেলিভারির সংখ্যা বাড়ছে এবং দিন দিন নরমাল ডেলিভারিতে প্রসূতিদের আগ্রহ বাড়ছে।
তিনি জানান, হাসপাতালে নিরাপদে এ ডেলিভারি করানো হলে মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে না, পাশাপাশি কোনো প্রকার অর্থও ব্যয় হয় না। গর্ভবতী মায়েদের প্রসব পূর্ববর্তী ও পরবর্তী চিকিৎসা ও পরমার্শ দেওয়া হচ্ছে। এতে নিয়মিত নরমাল ডেলিভারির সংখ্যা বাড়ছে।
তিনি আরো জানান, চট্টগ্রাম জেলার মধ্যে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নরমাল ডেলিভারিতে জনসংখ্যার অনুপাতিক হারে প্রথম স্থানে অবস্থান করেছে। এছাড়াও ইতিপূর্বে ২৪ ঘণ্টায় ১৯টি সন্তান সিজার ছাড়া প্রসব করানো হয় সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।