গ্রেফতারকৃতরা হলেন ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার নটখোলা গ্রামের আলেক মাতুব্বরের ছেলে ডাকাত সর্দার ডালিম মাতুব্বর, একই গ্রামের মোসলেম মুন্সীর ছেলে ডাকাত মঞ্জুরুল ইসলাম এবং বোয়ালমারী থানার দৈবক নন্দনপুর গ্রামের আয়নাল ফকিরের ছেলে জামাল ফকির।
মুকসুদপুর থানার ওসি মোহাম্মদ আশরাফুল আলম জানান, ডাকাতির ঘটনার পরে একটি মামলা দায়ের হয়। পরবর্তীতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে ডাকাত সরদার ডালিম মাতুব্বরকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার কাছ থেকে নেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আরো ২ ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা এই ডাকাতির কথা স্বীকার করেছেন। তাদের গোপালগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকী আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
.png)
২০২৩ সালের ১০ নভেম্বর রাতে ঢাকার গুলিস্থান বাস কাউন্টার থেকে ২৭ জন যাত্রী নিয়ে ফালগুনী পরিবহন খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। ভাংগা গোল চত্বর পার হওয়ার পর ওই বাসে যাত্রী বেশে ৭ জন ডাকাত গাড়ির স্টাফ ও যাত্রীদের দেশীয় অস্ত্রের মাধ্যমে জিম্মি করে বাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাসে থাকা যাত্রী এবং স্টাফদের নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোনসহ দশ লাখ টাকার মালামাল লুট করে মুকসুদপুরের দাশেরহাট নামক স্থানে ঢাকা-খুলনা হাইওয়ের পাশে নেমে যায়। পরে এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়।