শুক্রবার (১৫ মার্চ) বিকেলে উপজেলা ফতেপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ফতেপুর গ্রামে যাত্রাখালী খাল নিয়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু সবুজ মিয়া উপজেলার ফতেপুর গ্রামের আশেকের ছেলে।
আহতরা হলেন- একই গ্রামের সোলেমান মিয়া, আব্দুল হেকিম, হৃদয় মিয়া ও মো. আশেক মিয়া। আটককৃতরা হলেন- মো. মল্লিক মিয়া, আনচু মিয়া ও চাঁন মিয়া। বাকি দুজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি পুলিশ। আটকরা সবাই ফতেপুর গ্রামের বাসিন্দা।
.png)
মদন থানার ওসি উজ্জ্বল কান্তি সরকার জানান, উপজেলার যাত্রাখালী খালের পাশে ফতেপুর গ্রামের ইব্রাহিম মুন্সীর একটি ডোবা রয়েছে। হাওরাঞ্চলে থাকায় ডোবাটিতে প্রচুর পরিমাণে মাছ থাকে। প্রতিবছরই ফাল্গুন-চৈত্র মাসে পানি কমে আসার পর ডোবাটি থেকে মাছ ধরা হয়। গত বছর একই গ্রামের হিরণ মিয়ার কাছে এক মওসুমের জন্যে এই ডোবাটি লিজ দেন। হিরণ মিয়াও যথারীতি গত বছর ডোবাটি থেকে মাছ তুলে নেন। এই লিজের মেয়াদ গত কার্তিক মাসে শেষ হয়। সময়সীমা শেষ হলেও হিরণ মিয়া ও তার লোকজন শুক্রবার বিকেলে সোয়া ৩টার দিকে ডোবাটি থেকে মাছ ধরা শুরু করেন। তখন ইব্রাহিম মুন্সী ও তার লোকজন বাধা দিলে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ান। এসময় গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু সবুজ মিয়া।
তিনি আরো জানান, ঘটনার পর পর গ্রামটিতে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।