বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার রয়না চকপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
শুক্রবার সকালে র্যাব-৫ এর এসপি সঞ্জয় কুমার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। গ্রেফতার আসামি মো. আসলাম উদ্দিন উপজেলার পিত্তভাগ এলাকার মফিজ উদ্দিনের ছেলে।
.png)
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আসামিরা গত মঙ্গলবার শামীম হোসেন ও মো. সোহানকে চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ডেকোরেটর দোকান ঘরে আটকে রাখে। পরে আসামিরা তাদের দুজনকে হাতুড় ও লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে। এতে করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয় শামীম। এ সময় তাদের দুজনের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত জখম অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ সময় চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য মো. শামীম হোসেনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টার দিকে শামীমের মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে নিহত শামীম হোসেনের বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব আরো জানায়, মামলার পর থেকেই আসামি মো. আসলামসহ জড়িতরা আত্মগোপনে চলে যায়। মামলার তদন্তকারী অফিসার আসামিদের গ্রেফতারের জন্য নাটোর র্যাব-৫ বরাবর অভিযোগপত্র প্রদান করেন। পরে তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামি মো. আসলামের অবস্থান শনাক্ত করে র্যাব। এরপর বড়াইগ্রাম উপজেলার রয়না চকপাড়া গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। আসামিকে বড়াইগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।