বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ইউনিয়নে রুপসা স্লুইচগেইট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শরিফ খান একই ইউনিয়নের ধানবাড়িয়া গ্রামের মৃত হাকিম খানের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, রাতে গ্রামের মসজিদে ওয়াজ মাহফিলে গিয়েছিলেন শরিফ। মাহফিল শেষ না হতেই রাত ১১টার দিকে শরিফ চলে আসেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে রুপসা বাজারে তার কোপানো মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।
.png)
নিহত শরিফের স্ত্রী আসমা বলেন, আমার স্বামীর কারও সঙ্গে কোনো শত্রুতা ছিল না। রাতে দোকান থেকে এসে খাবার খেয়ে ছেলে আরাফাতকে নিয়ে পাশের একটি মসজিদে ওয়াজ মাহফিলে গিয়েছিল। কিন্তু ফিরে আসলো নিথর দেহ। যারা আমার স্বামীকে হত্যা করেছে, আমি তাদের বিচার চাই।
কালুখালীর থানার ওসি আলমগীর হোসাইন বলেন, শরিফকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ পাইনি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে থানায় আনা হয়েছে। হত্যার কারণ উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।