মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে ওই ইউনিয়নের ধরলা আশ্রয়ণ প্রকল্পের ২৭ নম্বর ঘরের টয়লেট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত সুমি আক্তার ওই ইউনিয়নের দক্ষিণ নওয়াবস গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ওসি মাসুদুর রহমান ও পাঁচগাছী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন সরকার।
.png)
মৃতের নানি খড়কি বেগম জানান, চার মাস আগে বিয়ে হয় সুমির। সংসারে বনিবনা না হওয়ায় সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়। ওইদিনই নানা বাড়িতে আসেন সুমি। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ঘরে সংযুক্ত টয়লেটে প্রবেশ করেন। পরে তাকে অনেক ডাকাডাকি করলে কোনো সাড়া পেয়ে দরজা খুলে সুমির ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
মৃত সুমির নানা মজাহার বলেন, তালাকের কষ্ট থেকে সুমি গলায় ফাঁস দিয়ে থাকতে পারে। এ নিয়ে কারও প্রতি আমাদের কোনো অভিযোগ নেই। ওর বাবা-মা ঢাকায় থাকে। তাদের খবর দেওয়া হয়েছে।
ওসি মাসুদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।