সন্দ্বীপ থানার উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (এসআই) মাইন উদ্দিন জানান, মামলার তদন্তের স্বার্থে মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। এটি একটি সেনসিটিভ মামলা। তদন্তে যাদের নাম ওঠে আসবে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
আদালতের নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মুরাদ ইসলামের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলন করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডাক্তারসহ সংশ্লিষ্ট লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
.png)
প্রসঙ্গত, ৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত সন্তান প্রসব করেন ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী। পৌরসভা ২ নম্বর ওয়ার্ডের তালুকদার মার্কেট এলাকায় ২৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় মৃত শিশুটি ভূমিষ্ঠ হয়। স্থানীয় সেই কিশোরী গত বছর প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিয়ের আশ্বাসে মেয়ে ও তার পরিবার বিষয়টি গোপন রাখে। একপর্যায়ে প্রসবের সময় ঘনিয়ে এলে ছেলে ও তার পরিবার মেয়েটিকে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এতে লোকলজ্জার ভয়ে মেয়েটির পরিবার স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসকের কাছে তথ্য গোপন রেখে ওষুধ খেয়ে বাচ্চাটি নষ্ট করে।