রোববার পুলিশ আয়েশাকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও পরশুরাম আমলী আদালতের বিচারক ফাতেমা তুজ জোহরা মুনা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফেনী জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট গাজী তারেক আজিজ।
.png)
এর আগে, পুলিশ লামিয়ার মা আয়েশাকে গ্রেফতার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে হাজির করলে আদালতে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। নিহত শিশু লামিয়ার বাবা মো. নুরুন নবী বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার রাতে পরশুরাম থানায় হত্যা মামলা করার পর সেই রাতেই আয়েশা বেগম ও লামিয়ার সৎ মা রেহানা আক্তারকে আটক করে পুলিশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গত বৃহস্পতিবার সকালে আয়েশাকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে সৎ মা রেহানাকে এজাহারকারীর জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
পরশুরাম পৌর এলাকার বাঁশপদুয়া গ্রামে গত মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে হেলমেট পরা দুই যুবক নুরুন্নবীর ভাড়া বাসায় গিয়ে নিজেদের পল্লী বিদ্যুতের কর্মী পরিচয়ে দরজা খুলতে বলেন। এ সময় তার দুই শিশুসন্তান দরজা খুলে দিলে দুই যুবক ঘরে ঢুকে শিশু লামিয়াকে স্কচটেপ দিয়ে হাত-মুখ-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। একই সময় লামিয়ার বড় বোন নিহা একজনের হাত কামড়ে দিয়ে পাশের কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিয়ে নিজেকে রক্ষা করেন।