বিশ্ব ইজতেমা আয়োজক কমিটির (সাদপন্থী) গণমাধ্যম সমন্বয়ক মোহাম্মদ সায়েম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বাসচাপায় নিহত ব্যক্তি আবুল কাশেম (৬৫) লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার বাসিন্দা। গাজীপুরের আব্দুল্লাহপুরে বাসচাপায় নিহত হন তিনি।
.png)
এছাড়া বার্ধক্যজনিত কারণে যাদের মৃত্যু হয়েছে তারা হলেন-
শেরপুর সদরের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে আবুল কালাম (৬৫)। বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়। নেত্রকোণার কেন্দুয়া থানার কুতুবপুর গ্রামের মৃত সুলতান উদ্দিনের ছেলে আব্দুল হেলিন মিয়া (৬৪) মারা যান দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে। একই সময় দিনাজপুরের শিবনগর থানার মৃত ইউসুফ উদ্দিনের ছেলে জহির উদ্দিন (৭০) মারা যান এবং রাত ৯টার দিকে মারা যান জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গোয়ালেরচর গ্রামের মৃত ছবির উদ্দিনের ছেলে নবীর উদ্দিন (৬৫)। আর মারা যাওয়া অন্য দুইজনের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
গণমাধ্যম সমন্বয়ক মোহাম্মদ সায়েম বলেন, মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জনই বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার মাগরিবের নামাজ শেষে ময়দানে তিনজনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ ফজর নবীর উদ্দিনের জানাজা শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তিনি আরো জানান, যাদের তথ্য ও ঠিকানা পাওয়া গেছে তাদের স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।