শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলা উপজেলার ছোটবগী এলাকার নকরি সড়কের পাশে ঝোপ থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সুখী আক্তার একই এলাকার হাসান সর্দারের স্ত্রী এবং উপজেলার করাইবাড়িয়া ইউনিয়নের গেন্ডামারা এলাকার বাবুল ফকিরের মেয়ে।
ঐ গৃহবধূর স্বজনরা জানান, সুখী আক্তারের স্বামী হাসান সর্দার সাগরে মাছ ধরতে যান। এরপর হঠাৎ গত বুধবার সন্ধ্যার পরে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানানো হয়। পরে চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজনরা। শুক্রবার সকালে স্থানীয় এক নারী নকড়ি সড়কের পাশে তার লাশ দেখতে পান। গলায় মাফলার পেঁচানো অবস্থায় লাশটি মাটিতে পড়ে ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
.png)
নিহতের বাবা বাবুল ফকির অভিযোগ করে বলেন, আমার আদরের মেয়েকে যে মেরে ফেলেছে তার বিচার চাই।
তালতলী থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম খান জানান, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা হাসপাতালে পাঠানো হবে।