চাঁদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, এ জেলায় এ বছর আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ হাজার ৫০০ হেক্টর। আবাদ হয়েছে ৭ হাজার ১১০ হেক্টর। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৯০ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ কম হয়েছে। এর মধ্যে আলুর আবাদ বেশি হয় সদর, হাজীগঞ্জ ও মতলব দক্ষিণ উপজেলায়।
সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের নিজ গাছতলা গ্রামের কৃষক জসিম উদ্দিন মাল জানান, বৃষ্টির কারণে এ বছর জমিতে আলু আবাদ হয়েছে দেরিতে। এরপর এখন কুয়াশার কারণে আলু গাছের পাতায় রোগ দেখা দিয়েছে। গাছের পাতা সাদা হয়ে ধীরে ধীরে গাছ নুয়ে পড়ছে। কীটনাশক ব্যবহার করেও লাভ হয়নি।
.png)
আলু গাছে একই ধরনের রোগের কথা জানালেন সদর উপজেলার আশিকাটি ইউনিয়নের চাঁদখার দোকান এলাকার কৃষক রোস্তম আলী। তিনি জানান, এ বছর তিনি ৪০ শতাংশ জমিতে আলু রোপণ করেছেন। কিন্তু কুয়াশার কারণে আলুর গাছগুলো বড় হচ্ছে কম। আলুর ভালো ফলন নিয়ে তিনি শঙ্কায় রয়েছেন।
চাঁদপুর জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান রুপম বলেন, প্রতিবারের মতো এবারো জেলায় ১৩টি হিমাগারে ৮২ হাজার মেট্রিক টন আলু সংরক্ষণের ধারণক্ষমতা রয়েছে। এছাড়াও আমাদের কয়টি মডেল ঘর আছে সেগুলো মধ্যে কৃষকরা আলু সংরক্ষণ করতে পারবেন।
চাঁদপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. সাফায়েত আহম্মদ সিদ্দিকী বলেন, দুটি ঘূর্ণিঝড় ও অতিবৃষ্টির কারণে সঠিক সময়ে কৃষকরা জমিতে আলু রোপণ করতে পারেনি। তাই আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। এছাড়াও কুয়াশার কারণে আলুর বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত তাই কৃষকদেরকে মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক সহায়তা দিচ্ছি। এরপরও আমরা আকাঙ্ক্ষিত ফলন আশা করছি।