জানা যায়, শনিবার সকালে বাজারের বড় ব্রিজ রোড এলাকার মাহবুব আলমের ব্যাটারির দোকান থেকে প্রথম অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশেপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে নড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আধা ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণের আগেই বাজারের মাহবুব আলমের ব্যাটারির দোকান, আক্তার হোসেনের ওষুধের দোকান, ইদ্রিস আলীর ফার্নিচারের দোকান, বাবুল শেখের এসি ফ্রিজ মেরামতের দোকান, নাসির শেখের থাই ও অ্যালুমিনিয়ামের দোকান এবং হিরণ মোল্লার ফ্লেক্সি লোডের দোকান ও মালামাল পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী আক্তার হোসেন বলেন, আমার ওষুধের দোকানে অন্তত ৩০ লাখ টাকার মালামাল ছিলো। অনেক কষ্ট করে তিলে তিলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি দাঁড় করিয়েছিলাম। আগুনে আমার সব কিছু শেষ হয়ে গেলো। সরকারের সাহায্য ছাড়া আমার আর কোনো বাঁচার পথ নেই।
.png)
আরেক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী বাবুল শেখ বলেন, খবর পেয়ে বাজারে ছুটে আসি। এসে দেখি আমার দোকানের ফ্রিজসহ সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমার মতো আরো ৬ ব্যবসায়ীর এ ক্ষতি হয়েছে।
নড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি ব্যাটারির দোকানের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ২ টি ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আধা ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কাছে একটি বড় পুকুর থাকায় অন্য দোকানগুলোকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। তবে কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এই মূহূর্তে বলা কঠিন।
নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শংকর চন্দ্র বৈদ্য বলেন, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের সরকারিভাবে সহযোগিতা করা হবে।