গ্রেফতার রাকিবুল ইসলাম উপজেলার তারাটি গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ভ্যানচালক। নিহত শামীম হক তারাটি চরপাড়া গ্রামের সিরাজ আলীর ছেলে। সে একই গ্রামের একটি মাদরাসায় অষ্টম শ্রেণিতে লেখাপড়া করতো এবং অটোরিকশা চালাতো।
রোববার রাত ৯টার দিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে শনিবার সন্ধ্যা পাঁচটার দিকে তারাটি গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
.png)
পুলিশ জানায়, শামীমের একটি মোবাইল কেনার শখ ছিল। সেই বিষয়টি ভ্যানচালক রাকিবুলের সঙ্গে আলাপ করায় ভাড়ায় চালিত অটোরিকশাটি বিক্রির পরিকল্পনা করে রাকিবুল। রাকিবুল নিজেও এনজিও থেকে আড়াই লাখ টাকা ঋণ নিয়ে চাপে থাকায় অটোরিকশাটি বিক্রি করে ভাগ করে নেয়ার জন্য পরিকল্পনাটি করে। তারা জামালপুরের নরুন্দি এলাকায় গিয়ে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির কাছে ১০ হাজার টাকা অটোরিকশাটি বিক্রি করে দেয়। মালিককে বুঝানোর কথা ছিল অটোরিকশাটি হারিয়ে গেছে। পরে অটোরিকশা বিক্রির টাকা থেকে নিহত শামীম মাত্র ২ হাজার টাকা দেয় রাকিবকে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় শামীমকে কৌশলে ডেকে নিয়ে মুক্তাগাছার বিরাশি গ্রামের একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে ফেলে যায় রাকিব।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা ওসি মো. ফারুক হোসেন বলেন, হত্যার ঘটনার পরদিন সকালে শামীমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঐদিনই নিহতের বাবা সিরাজ মিয়া বাদি হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করন। এ মামলার তদন্ত শেষে রাকিবুলকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। রোববার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।