ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে এক বছরে ২৩২৭ শিশুর জন্ম

হাসান পিন্টু, লালমোহন (ভোলা)
প্রকাশিত: ১৯:৫৬, ১০ জানুয়ারি ২০২৪
লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে এক বছরে ২৩২৭ শিশুর জন্ম
লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র- ফাইল ফটো

ভোলার লালমোহন উপজেলা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সদ্য বিদায়ী বছর ২০২৩ সালে দুই হাজার ৩১৩ জন গর্ভবতী মায়ের স্বাভাবিক প্রসব করানো হয়েছে। এর মাধ্যমে দুই হাজার ৩২৭ জন শিশু জন্ম গ্রহণ করেছে।

তাদের মধ্যে ছেলে শিশু এক হাজার ৩১৪ জন এবং কন্যাশিশু এক হাজার ১৩ জন। এছাড়া যমজ শিশু জন্মগ্রহণ করে ১৪ জন। প্রসব পরবর্তী শিশুর শারীরিক জটিলতার কারণে ৯৯ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়।

উপজেলা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে এই স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র থেকে তিন হাজার ৭৩৯ জন গর্ভবতী মা সেবা নিয়েছেন। এছাড়া শূন্য থেকে পাঁচবছর বয়সী তিন হাজার ৭০২ জন শিশু চিকিৎসা সেবা পায়। প্রসূতি মায়েদের প্রসবকালীন সময় লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে পাঁচ ধরনের ওষুধ সরবরাহ করা হয়।

Advertisement

লালমোহনের ধলীগৌরনগর ইউনিয়ন থেকে বোনকে নিয়ে উপজেলা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে আসা মো. ছিদ্দিক জানান, এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি নারীবান্ধব। সন্তান প্রসবের সময় মহিলারা এটাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। বোন বলেছে তাকে এখানে আনতে, তাই তাকে নিয়ে এখানে এসেছি।

এ বিষয়ে লালমোহন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ইনচার্জ ও পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) মিরা রাণী বলেন, আমাদের এখানে লালমোহন ছাড়া পার্শ্ববর্তী অন্যান্য উপজেলা থেকেও প্রসূতি মায়েরা আসেন। এছাড়া গর্ভবতী মায়েরা বিভিন্ন সময় পরামর্শ ও চিকিৎসার জন্য আসেন। আমরা সবসময় চেষ্টা করি তাদেরকে আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা প্রদান করার।

লালমোহন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এবং মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডা. অমিত কর্মকার জানান, এখানে গর্ভবতী মায়েদের সবধরনের সেবা প্রদান করা হয়। প্রসূতি মায়েদের জন্য এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি ২৪ ঘণ্টাই খোলা থাকে। তিনজন ভিজিটর ও দুইজন নার্স গর্ভবতী মায়েদের সন্তান প্রসবে কাজ করেন। তারা স্বাভাবিক প্রসবের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। এছাড়া এই মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র থেকে গর্ভবতী মায়েদের প্রসব পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সেবা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে তাদের সরকারিভাবে বিনামূল্যে ওষুধও প্রদান করা হয়।

এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরো জানান, অনেক সময় দেখা যায় গর্ভবতী মায়েদের প্রসব বেদনা উঠলে বাড়িতে প্রসবের চেষ্টা করা হয়, যা মোটেও ঠিক না। এতে করে মা এবং শিশু দুইজনই ঝুঁকিতে থাকেন। তাই গর্ভবতী মায়েদের প্রতি আহবান থাকবে; প্রসব বেদনা উঠলে স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে এই মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চলে আসার। এর ফলে নিরাপদে গর্ভবতী মায়ের সন্তান প্রসব সম্পন্ন হবে। এতে করে মা ও শিশু দুইজনই সুস্থ থাকবেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এইচএন
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!