শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে নিজঘর থেকে ঐ বিধবার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের ধারণা- ভাইদের সঙ্গে জমি বিরোধ ও পারিবারিক কলহের জেরে তাকে খুন করা হতে পারে।
জানা গেছে, স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে ৮ বছর বয়সী কন্যাসন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতেই বসবাস করতেন বাসনা বেগম। শুক্রবার সন্ধ্যায় বাসনা বেগমকে বাড়িতে না দেখে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা রশিদা বেগম। তাকে কোথাও না পেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানানো হয়।
.png)
অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাসনা বেগমকে না পেয়ে রাত ৯টার দিকে তার নিজঘরের দরজা বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে মেঝেতে বাসনার রক্তাক্ত মরদেহ পরে থাকতে দেখেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান লাকপতি। তিনি বকশীগঞ্জ পুলিশকে জানালে রাত ১১টার দিকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহতের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
বকশীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আহাদ খান জানান, খবর পেয়ে রাতেই রক্তাক্ত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।