সোমবার ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সাঁড়া ইউনিয়নের ঈশ্বরদী-বাঘা আঞ্চলিক মহাসড়কের পুরাতন ঈশ্বরদী গ্রামে (ভাদুর বটতলা তেল পাম্পের কাছে) এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন মোটরসাইকেল চালক নাহিদ হাসান। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নাহিদ উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের আরামবাড়িয়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে।
_1703512018.jpg)
.png)
স্থানীয়রা জানায়, রাজশাহীর বাঘা থেকে সুপার সনি নামের বাসটি যাত্রী নিয়ে ঈশ্বরদীর দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক দিয়ে দ্রুতগতিতে একটি মোটরসাইকেল আসছিল। ভাদুর বটতলা তেল পাম্পের সামনে এসে মোটরসাইকেল আরোহী নিয়ন্ত্রণ হারান। এতে তিনি ছিটকে রাস্তায় পড়লেও তার মোটরসাইকেলটি বাসের নিচে ঢুকে যায়। পরে মোটরসাইকেলের ট্যাংকি ফেটে আগুন ধরে যায়। এসময় চালক-হেলপারসহ অন্য যাত্রীরা দ্রুত বাস থেকে নেমে যান। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। পুরা বাসটিতে আগুন ধরে যায়। দ্রুতই পুড়ে যায় মোটরসাইকেল ও বাস । খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
সুপার সনি পরিবহনের ম্যানেজার শাহিন আহমেদ বলেন, বাসটি পুরোপুরি পুড়ে গেছে। তবে যাত্রীদের তেমন কিছু হয়নি। সবাই নেমে যেতে পেরেছেন। বাসটি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের ওয়্যার হাউস ইন্সপেক্টর অপু কুমার মন্ডল বলেন, তথ্য পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। মোটরসাইকেলের ট্যাংকি ফেটে আগুন ধরেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ৪০ সিটের বাসটির পুরোটাই পুড়ে গেছে।
ঈশ্বরদী থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, বাঘা থেকে বাসটি আসছিল, আর মোটরসাইকেলটি সামনে থেকে ছিটকে গিয়ে বাসের নিচে ঢুকে আগুন ধরে যায়। কেউ হতাহত হয়নি। মোটরসাইকেল চালককে পাওয়া যায়নি। এটা কোনো নাশকতা কি না জানতে চাইলে ওসি বলেন, এটা নাশকতার ঘটনা নয়। দুর্ঘটনা বলে ধারণা করছি।