মঙ্গলবার মহানগরীর ২ নম্বর কাস্টমঘাটস্থ আমিরাবানু বেগম নগর মাতৃসদন প্রাঙ্গণে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
ভ্রাম্যমাণ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রত্যন্ত এলাকা, রেলওয়ে স্টেশন, বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাটসহ প্রতিটি স্থানে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এজন্য সব অভিভাবকদের টিকা কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে আসার আহ্বান জানান মেয়র।
.png)
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সানজিদা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, খুলনা স্বাস্থ্য দফতরের সহকারী পরিচালক ডা. অপর্ণা বিশ্বাস, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. এসএম কামাল হোসেন, কেসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা স্বপন কুমার হালদার, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলী, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর কনিকা সাহা, ইউনিসেফের প্রতিনিধি শারমিন আক্তার প্রমুখ।
মহানগরীর মোট এক লাখ ২২ হাজার চারশ’ ৭৮ জন শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস’ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ১৪ হাজার ৬১২ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সব শিশুর সংখ্যা এক লাখ সাত হাজার আটশ’ ৬৬ জন। এছাড়া খুলনা জেলার ৯টি উপজেলা এবং ২টি পৌর সভায় মোট ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৯৪ জন শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এরমধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ২২ হাজার আটশ’ ৭৯ এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী সব শিশুর সংখ্যা ১ লাখ ৬৯ হাজার ১১৫ জন।
কর্মসূচি সফল করতে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডের চারটি জোনে ৭১০টি কেন্দ্রে ৬২ জন সুপারভাইজারের তত্ত্বাবধানে এক হাজার ৪২০ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া খুলনা জেলার দুটি পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশনসহ নয়টি উপজেলায় ৬৮টি ইউনিয়ন এবং ২০৪টি ওয়ার্ডে ১৬৪১টি কেন্দ্রে ৩২৮২ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত থাকবেন।