বাহারি পিঠা নিয়ে স্টল সাজিয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা। হাজারো পিঠাপ্রেমীর ভিড়ে জমে ওঠে উৎসব। সকাল থেকেই হোসেনপুর সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে হাজারো শিক্ষার্থীর ভিড়ে জমে যায়। বিভিন্ন রকম পিঠার সমাহার নিয়ে বসে ১৩টি স্টল।
স্টলগুলোয় ছিল ভাপা, পুলি, পাটিসাপটা, পাকন (নকশি), ভাজা শুঁটকি পিঠা, খেজুরপাতার মিষ্টি পিঠা, ফুল পিঠা, চিতই, চ্যাপা পিঠা, মালা পিঠা, মাছের সমুচা, দুধপুলি, পয়সা পিঠাসসহ ৭২ রকমের পিঠা।
.png)
শিক্ষার্থীরা ১০ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামে বিক্রি করেন এসব পিঠা। উৎসবে আসা ছাত্র ইমরান বলেন, ‘আগে শীত এলেই বাড়িতে পিঠার আয়োজন হতো। নানা কারণ ও ব্যস্ত জীবনে এখন আর তা হয়ে ওঠে না। পেশাগত কারণে শহরে থাকায় এখন শীতে মায়ের হাতের পিঠা খুব মিস করি। তাই পিঠা উৎসবের কথা শুনেই চলে এসেছি।
ছাত্রী প্রিয়া আক্তার বলেন, ‘পিঠা খেতে উৎসবে এসেছি। কয়েক রকমের পিঠা খেয়েছি। এসব পিঠা খুবই সুস্বাদু এবং দামও অনেক কম।’
হোসেনপুর সরকারি কলেজের ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক আরিফুল হক আরিফ বলেন, পিঠা উৎসবে অনেক লোকের সমাগম হয়েছে। আমাদের দেশের প্রাচীনতম ঐতিয্যে একটি উৎসব পিঠা উৎসব। এই উৎসবকে ঘিরে আজকে কলেজে আনন্দমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
হোসেনপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। ভাবা যায়নি এত মানুষ উৎসবে আসবেন। ভালো সাড়া পেয়েছি এবং আগামীতে আরো বড় আকারে পিঠা উৎসব আয়োজন করব।
অনুষ্ঠান শেষে কলেজের অধ্যক্ষ ওয়াহিদুজ্জামান পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীদের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন।