লেবু চাষি মিন্টু বলেন, ১৯৯৭ সালে পঁচিশ টাকা দিয়ে চারটি গোল কাগজি লেবুর চারা এনে বাড়ির পাশে রোপণ করি। দেড় বছর পর চারটি গাছে প্রায় পাঁচ শতাধিক লেবু ধরে। গ্রাম্য পাইকার ডেকে লেবু বিক্রি করে ভালো লাভ হয়। বাজারে লম্বা জাতের কাগজি লেবুর চাহিদা বেশি থাকায় ২০০০ সালে চাচাতো ভাইয়ের কাছ থেকে ৪০টি কলম চারা বিশ টাকা দরে কিনে আনি। এরপর ১৭ শতক জমিতে রোপণ করি।
তিনি আরো বলেন, ফলন ভালো হওয়ায় পরে ৩০ শতক জমিতে আরো ৬০টি লম্বা জাতের কাগজি লেবুর কলম চারা রোপণ করি। তিন বছর পর বাগান থেকে দেড় লাখ টাকার লেবু বিক্রি হয়। লেবু চাষের খরচ কম। লাভ হয় বেশি। প্রয়োজনে উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে থাকি।
.png)
লেবু চাষ করে মিন্টুর ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা খরচের পাশাপাশি সংসারের চাহিদা পূরণ করছেন। এক সময় অভাবের সংসারে মেটাতে পারতেন না ছেলে মেয়েদের চাহিদা ও খরচ। এখন লেবু চাষ করে পাল্টে গেছে ভাগ্য। কিনেছেন জমি ও গাড়ি, করেছেন পাকা বাড়ি। এলাকায় লেবু মিন্টু হিসেবে পরিচিত লাভ করছেন তিনি।
ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদা সুলতানা বলেন, মিন্টু একজন সফল চাষি। প্রতি বছর লেবু বাগান থেকে কয়েক লাখ টাকা আয় হয় তার।