প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটার দিকে তুলা কারখানায় একটি অংশে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসকে জানায়। ততক্ষণে ভেতরে থাকা সব মালামাল পুড়ে যায়।
কারখানাটির ক্ষতিগ্রস্ত মালিক হাফেজ হাফিজুর রহমান জানান, সুতার দাম বাড়লে বিক্রি করবে সেই আশায় তার কারখানায় অনেক টাকার মাল মজুত করে রাখা ছিল। এই মালামাল বিক্রি করে তার বকেয়া থাকা ১৫ লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আগুনের ঘটনায় তিনি নিস্ব হয়ে গেছেন।
.png)
অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক ফখরুদ্দিন আহমেদ জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। রাত নয়টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।
তিনি আরও জানান, কারখানাটিতে প্রচুর পরিমাণে তুলা মজুত ছিল। তাই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশি সময় লেগেছে। বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা তার। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে নিশ্চিত করে বলা যাবে বলে জানান তিনি।