জানা যায়, গত সপ্তাহে মো. হোসেন বাজারে দুটি রাজহাঁস বিক্রি করেন। এ সময় স্থানীয় সবুর নামের এক ব্যক্তি হাঁস বিক্রির টাকা থেকে ৫শ টাকা জোর পূর্বক দালালি হিসেবে রেখে দেন। এ ঘটনার দুই-তিন দিন পর বিক্রেতা হোসেনের ছেলে বোরহান ওই সবুরকে বাজারে পেয়ে ৫শ টাকা ফেরৎ দিতে বলেন। এক পর্যায়ে ইদ্রিস মিয়া ওই হাঁসগুলো চুরি করা বলে অভিযোগ তুলেন। সে সময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাক বিতণ্ডা হয়।
সোমবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর নতুন বাংলা বাজারের একটি মার্কেটের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন বোরহান। এ সময় কৈলাইন গ্রামের আমান আলীর ছেলে ইদ্রিস মিয়া ও জামালের ছেলে মোক্তার হোসেন, লক্ষ্মীপুর গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে মনির হোসেন মিলে পুরোনো ঘটনার জের ধরে বোরহানকে মারধর শুরু করেন। পরে উভয় পক্ষের আরো লোকজন এসে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। খবর পেয়ে মো. হোসেনও ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় হুলস্থুলের মধ্যে মো. হোসেন মিয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা মো. হোসেনকে পার্শ্ববর্তী কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
এদিকে এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. বোরহান (২৮) এবং মো. হানিফসহ (৩১) উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন।
চান্দিনা থানার ওসি (তদন্ত) মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে আমরা জানতে পেরেছি দালালির ৫শ টাকা নিয়েই ঝামেলা পাকিয়ে মারামারি হয়। তবে নিহত মো. হোসেনের গায়ে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। দৌড়াদৌড়িতে ইট বা পাথর কনায় হোঁচট খেয়ে তিনি মাটিতে পড়ে গিয়েছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
সোমবার সন্ধ্যায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চান্দিনা থানার (ওসি) মো. সাহাবুদ্দীন খাঁন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। তারা প্রাথমিক তদন্ত করছেন। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।