এ সময় আমিরুল ইসলাম পারভেজের প্রতি শ্রদ্ধা জানান মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়, জেলা প্রশাসক রেহেনা আক্তার, পুলিশ সুপার আজাদ খান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মহীউদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালামসহ সর্বস্তরের জনগণ।
এর আগে, কনস্টেবল পারভেজের মরদেহ বহনকারী গাড়ি দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তার মা-বাবাসহ স্বজনরা। এ সময় তাকে শেষবারের মতো দেখতে ভিড় করেন দৌলতপুরবাসী।
.png)
কনস্টেবল আমিরুল ইসলাম পারভেজ ঐ দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারী ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা সেকেন্দার আলী মোল্লার ছেলে।
জানা গেছে, দুই বছর আগে আমিরুল ইসলাম পারভেজের দৌলতপুরের বাড়ি যমুনা নদীর গর্ভে তলিয়ে যায়। পরে পরিবারসহ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ইউনিয়নের ফয়েজপুর গ্রামে বাড়ি করেন তারা। পারভেজ ২০০৯ সালে পুলিশে চাকরি পান। কর্মস্থল ঢাকায় হওয়ায় স্ত্রী রুমা আক্তার ও ৭ বছরের মেয়ে তানহাকে নিয়ে শাহজাহানপুরে থাকতেন পারভেজ।