শুক্রবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে বাবুলকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান। এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে খুলনার কোতোয়ালি থানার হাদিস পার্কের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত বাবুল মিয়া মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার দড়িকান্দি গ্রামের শেখ কাশেমের ছেলে।
.png)
পুলিশ জানায়, প্রায় তিন বছর আগে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বায়রা ইউনিয়নের চর নয়াবাড়ি গ্রামের ছইজুদ্দিনের মেয়ে রোকসানার সঙ্গে বাবুলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর রোকসানা অধিক আয়ের আশায় সৌদি আরবে পাড়ি জমান। তিনি আয়ের টাকা দিয়ে স্বামীর মাধ্যমে সদর উপজেলার পশ্চিম শানবান্ধা গ্রামে জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করেন। গত ৬ অক্টোবর রোকসানা দেশে এসে ঢাকার সাভারে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতে থাকেন।
গত ১৩ অক্টোবর বিকেলে নিজের বাড়ির কাজ দেখার জন্য তিনি স্বামীকে নিয়ে শানবান্ধা আসেন। রাতে নির্মাণাধীন ঐ বাড়ির একটি কক্ষে তারা থাকেন। এ সময় তাদের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। পরে রোকসানা ঘুমিয়ে পড়লে বাবুল তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এরপর লাশ বাড়ির মেঝেতে পুঁতে রেখে বাবুল আত্মগোপনে চলে যান।
পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান জানান, ঐ বাড়ি থেকে লাশের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি স্থানীয়রা পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ ঘরের মেঝে থেকে রোকসানার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে।
মানিকগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রউফ জানান, বুধবার অজ্ঞাত পরিচয়ের লাশটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ। পরে রোকসানার বড় ভাই ফজল মিয়া মর্গে এসে তার বোনের লাশ শনাক্ত করেন। ঐদিনই তিনি সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ওসি আরো জানান, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে খুলনা থেকে বাবুলকে গ্রেফতার করা হয়। আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।