স্থানীয়রা জানায়, পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের মাথিয়ারা মাদরাসার শিক্ষক কামরুল ইসলাম এক ছাত্রকে (১২) বৃহস্পতিবার রাতে বলাৎকার করেন। বলাৎকারের পর কাউকে কিছু না বলতে কোরআন ছুঁয়ে শপথ করানো হয়। কামরুল ফেনী সদরের পশ্চিম ছনুয়া গ্রামের আবুল বাশারের ছেলে। বলাৎকারের খবর জানাজানি হওয়ার পর মাদরাসা সুপার, মাদরাসার কমিটি ও ছেলের পিতা একত্রিত হয়ে মাদরাসা কক্ষের দ্বিতীয় তলায় ওই শিক্ষককে আটকে রেখে ব্যাপক মারধর করেন। শেষে একটা সাদা কাগজে লিখিত নিয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো কাজ করবে না মর্মে তাকে মাদরাসা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
ওই ছাত্রের পিতা ছেলেকে বলাৎকারের কথা স্বীকার করলেও মাদরাসা কর্তৃপক্ষের কেউ ঘটনাটি স্বীকার করেনি।
.png)
মাদরাসা সুপার আব্দুল হান্নান নিজেও বিষয়টি জানেন না বলে জানান। তিনি বলেন, তারা সম্পর্কে চাচা ভাতিজা, পড়ালেখা না করায় ভাতিজাকে মারধর করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাদরাসা কমিটির একজন জানান, ওই শিক্ষক ভবিষ্যতে এ রকম কোনো কাজ করবেন না বলে লিখিত অঙ্গীকার দেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ফেনী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, তিনি লিখিত কোনো অভিযোগ পাননি। তবে লোক মারফতে জানতে পেরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য পুলিশ পাঠানো হয়।