১২ অক্টোবর হতে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ মাছ ধরা, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, মজুতসহ সব বিনিময় সম্পূর্ণ নিষেধ। এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর ম্যাজিস্ট্রেট লৌহজং উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো. ইলিয়াস শিকদারের নেতৃত্বে লৌহজং উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম, সঙ্গীয় ফোর্স ও কোস্টগার্ড এ অভিযান পরিচালনা করেন।
.png)
লৌহজং উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, ১১ অক্টোবর রাত ১০টায় শিমুলিয়া ফেরিঘাটে অবস্থিত সমস্ত হোটেল মালিকদের ডেকে ইলিশ মাছ বিক্রি করতে নিষেধ করা হয়। সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ১২ অক্টোবর রাতে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে অভিযান চালানো হয়। আমাদের অভিযানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন মাওয়া কোস্টগার্ডের সদস্যরা। কোনো হোটেলে ইলিশ মাছের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।