তার অন্যতম সহযোগী মো. শাহ আলম ওরফে টুটুলও হাঁটছেন একই পথে। তার বিরুদ্ধেও রয়েছে ডাকাতি, বিস্ফোরক, মাদকসহ ছয়টি মামলা। সম্প্রতি স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে অস্ত্রসহ গ্রেফতার হয়ে কারাগারে গিয়েছেন দু’জন।
রাসেল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামের জয়দুল হোসেনের ছেলে ও শাহ আলম ওরফে টুটুল বরগুনার তালতলী উপজেলার বড় অংকোজন এলাকার আব্দুল কাদেরের ছেলে। দু’জনই সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূল এলাকায় থাকতেন। এরমধ্যে রাসেল ছিন্নমূল ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি ও টুটুল সহ-সভাপতি।
.png)
গত বুধবার রাতে জঙ্গল সলিমপুর এলাকা থেকে দু’জনকে গ্রেফতার করে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ। পরে বৃহস্পতিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর জঙ্গল সলিমপুরে হার্ট ফাউন্ডেশনের জন্য বরাদ্দকৃত জায়গায় থাকা অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে জেলা প্রশাসনের পাঁচজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। অভিযান শেষে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় ইউএনও-ওসিসহ অনেকে আহত হন। ঐ হামলায় নেতৃত্ব দেন রাসেল। এছাড়া টুটুল এ মামলার সন্দিগ্ধ আসামি।
সীতাকুণ্ড থানার ওসি তোফায়েল আহমেদ বলেন, হামলায় জড়িত থাকার তথ্য পেয়ে বুধবার রাতে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাসেল ও টুটুলকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলভার, একটি ওয়ান শুটারগান ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। রাসেলের বিরুদ্ধে ডাকাতি, গণধর্ষণ, অস্ত্র, বিস্ফোরকসহ বিভিন্ন অপরাধে ১২টি এবং টুটুলের বিরুদ্ধে ডাকাতি, বিস্ফোরক, মাদকসহ ছয়টি মামলা রয়েছে।
এদিকে, রাসেল ও টুটুলের সন্ত্রাসী কার্মকাণ্ডে আতঙ্কিত ঐ এলাকায় বসবাসরতরাও।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার একজন বলেন, রাসেল ও টুটুল সবসময় এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজিসহ এমন কোনো অপরাধ নেই, যা তারা করেন না। তাদের কারণে এলাকায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা আমাদের জন্য বিষফোঁড়া। এসব সন্ত্রাসীদের কঠিন শাস্তির আওতায় আনা প্রয়োজন।