ব্যবসায়ী মোস্তাক আহমেদের ছেলে সজিব আহমেদ জানান, তার বাবা নিউ মার্কেটে কাপড়ের ব্যবসায়ী। তিনি একটি প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজারের চাকরি করেন। বাগানবাড়ি এলাকার ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে তারা ভাড়ায় থাকেন। বিকেলে ফ্ল্যাটের দরজায় তালা লাগিয়ে ছোট ভাই চলে যায় খেলাধুলা করতে এবং মা চলে যান ডাক্তারের চেম্বারে। তারা সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে এসে দেখেন দরজার তালা ভাঙা এবং খোলা। ভেতরে ঢুকে দেখেন ওয়ারড্রবের ড্রয়ার সব খোলা এবং কাপড়চোপড় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। মাইক্রোওয়েভ ওভেন নিচে পড়ে আছে। স্টিলের আলমিরার কাছে গিয়ে দেখেন দরজা খোলা এবং ড্রয়ার সহ কাপড় কাগজপত্র নিচে পড়ে আছে। তারা দেখেন আলমিরার ভেতরে থাকা ডিজিটাল লকার এবং সিন্দুক ভাঙা অবস্থা আছে। পরে তল্লাশি করে দেখা যায় লকারে থাকা নগদ সাড়ে তিন লাখ টাকা ও সিন্দুকে থাকা সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার নেই। খবর পেয়ে বিষয়টি থানা পুলিশকে জানালে তারা এসে ঘুরে দেখে যান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি মো. আসলাম হোসেন জানান, খবর পেয়ে ওই বাসায় পুলিশ পাঠানো হয়। বাড়িটি একটি নির্জন এলাকায় এবং সেখানে কোনো সিসি টিভি ক্যামেরা না থাকায় পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।
.png)