জানা যায়, সম্প্রতি প্রবাস থেকে দেশে ফেরত আসেন আসাদ। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নৈরপুকুরপাড় এলাকায় রাস্তার পাশের কেটে রাখা সরকারি গাছে ডালাপালা নিজ বাড়িতে নিতে যান। এ সময় গাছে থাকা কিছু ভিমরুল তাকে কামড় দিলে গুরুত্বর আহত হন তিনি। পরে তাকে স্বজনরা মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।
এদিকে নিহতের স্বজনরা ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে জানান, বিকেলে ভিমরুল তাকে কামড়ে দেওয়ার পর অবস্থার কিছুটা ভালো ছিলো। কিন্তু ডাক্তার আহতের শরীরে ইনজেকশন পুশ করার পরপরই মৃত্যু হয়েছে।
.png)
মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. সজিব হোসেন জানান, ভুল চিকিৎসার কোনো ঘটনা ঘটেনি। মুমূর্ষু অবস্থায় প্রয়োজনীয় ইনজেকশন প্রদান করা হয়েছে। তবে এরপর মৃত্যু হওয়ার কারণে রোগীর স্বজনরা মনে ধারণা করছেন ইনজেকশনের কারণে মৃত্যু হয়েছে। সাধারণত ভিমরুল-মৌমাছি কামড় দিলে মানবদেহে এনাফেলাকটিক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। এ কারণে শক হয়ে মৃত্যু হতে পারে। যাদের ‘অ্যালার্জিক’ সমস্যা থাকে তাদের ভিমরুল কামড়ের আধা ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে আনা হলে তাদের এই ধরনের ইনজেকশন দিলে তারা সুস্থ হয়। এ রোগীর হাসপাতালে পৌঁছাতেও বিলম্ব হয়েছে। এনাফেলাকটিক শকের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) মোজাম্মেল হক জানান, নিহতের স্বজনরা কোনো লিখিত অভিযোগ না করায় লাশ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।