বৃহস্পতিবার দুপুরে একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায় জুনায়েদ মোল্লা। এরপর তাকে কক্সবাজারের একটি অভিজাত হোটেলে রাখা হয়।
শিশু জুনায়েদ গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের পারইহাটি গ্রামের সবজি ব্যবসায়ী ইমরান মোল্লার ছেলে।
.png)
জুনায়েদ জানায়, সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে বিমানে উঠতে পারলেও বিমানে চড়ার স্বপ্নটি থেকে যায়। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ করেছে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। তারা ঢাকা থেকে কক্সবাজারে বিমানে করে নিয়ে যায় তাকে। এতে জুনায়েদের খুব ভালো লেগেছে বলেও জানায়।
গত ১১ সেপ্টেম্বর রাত ৩টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নিরাপত্তা বেষ্টনী পেরিয়ে কুয়েত এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ওঠে পড়েছিল শিশু জুনায়েদ। পাসপোর্ট কিংবা বোর্ডিং পাস ছাড়াই ঐ ফ্লাইটে উঠে প্রায় ঘণ্টা খানেক বসে থাকে জুনায়েদ। পরে তার কাছে ভিসা-পাসপোর্ট পাওয়া না থাকায় অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি তাকে বিমান থেকে নামিয়ে পুলিশের জিম্মায় দেয়।